সাতরা শ্যামনগরে সিপি (ঘূর্ণিঝড় নিরাপত্তারক্ষীর) অভিযোগে কার্যক্রমে অনিয়ম ও স্বচ্ছাচারী উপজেলা ছাত্রলীগের সিপিপি পরিচালক মুন্সি নুর মোহাম্মাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি যোগদান করার পর স্বাসেবকদের মধ্যে দলাদলি, বিভেদ এবং অস্বচ্ছতা বাড়াচ্ছেন।
জানা যায়, ২০১০ সালে শ্যামনগরে সিপি কার্যক্রম শুরু হয় এবং দেশের মধ্যে মডেল মডেল হিসেবে পরিচিতি পায়। তবে কর্মক্ষেত্রে কর্মকর্তারা কর্মকাণ্ডে এই কার্যক্রমের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। স্বচ্ছাসেবকদের অভিযোগ— নূর মোহাম্মদ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। নীল নকশার নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়ার প্রক্রিয়া অযথা ব্যাখ্যা করতে তিনি তিনি।
অভিযোগ বলা হয়েছে শ্যামনগর পৌরসভার মোট ১১টি ইউনিটের মধ্যে সবচেয়ে সিপিপি ইউনিটকে তিনি অকারণে অহেলা করছেন এবং কেবলমাত্র দলই গঠনে গঠন করেছেন। বাকি দলগুলো কার্যকারিতা অকার্যকর হওয়া।
আরও অভিযোগ আছে— ব্যক্তিগত আত্মস্বামী, গালিগালাজ এবং অযাচিত আচরণ করেন তিনি। বিশেষ করে নারী স্বচ্ছাসেবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা কর্মীরা ক্ষুব্ধ। তার ভয়ে মিটিংয়ে অংশ না নিয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছেন।
সিপির গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন, মহড়া ও দুর্যোগ সক্রিয় কার্যক্রম পরিচালনা না করার বারবার উপজেলা শাখা টিম লিডার দফতরে অভিযোগ জানার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ আরও বলা হয়েছে—১১টি ইউনিটের মধ্যে ১টি ইউনিটের সি সদস্যদের সাথে তিনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন; বাকি সদস্যরা কর্য্যকরকে
স্বচ্ছাসেবীরা অভিযোগ করেন, পূর্বের উপজেলা টিম লিডার কালিগঞ্জ ইউনিটের মতো তাকে ‘সংযোগের পাহাড়’ নিয়ে পদত্যাগ করতে হবে যদি এই অবস্থা হয়।
২০২১-এ আলোর সিপি পরিবারের কর্পোরেশনের নির্দেশে অনিবার্য দাবি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ—৩০০– এর বেশি মেয়েকে অন্তর্ভুক্ত করার নিয়ম নীতি মাত্র ২৫টি পরিবারকে প্রদান করা হয়েছে।
আবার, নারী স্বচ্ছাসেবীদের স্বাস্থ্যসেবা ও করণীয় বিষয়ে বরাদ্দ তহবিল বণ্টনেও স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই শ্যামনগরের ১১ নম্বর ইউনিটের স্বচ্ছাবীরা জরুরি ভিত্তিতে কমিশন গঠন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ।
মন্তব্য করুন